কেন মার্কিন প্রেসিডেন্টদের কাছে পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাপ্রধানরা সবসময় এত প্রিয় হয়ে ওঠেন প্রকাশিত: ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৫ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাঁর প্রশংসা করেছেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে হঠাৎ করে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে পাকিস্তানি লেখক ও প্রাবন্ধিক মোহাম্মদ হানিফ টাইম সাময়িকীতে (২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) একটি বিশ্লেষণাত্মক লেখা প্রকাশ করেছেন। তিনি তুলে ধরেন, ১৯৫৯ সালে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান থেকে শুরু করে জেনারেল জিয়া–উল–হক ও পারভেজ মোশাররফ পর্যন্ত, মার্কিন প্রশাসন বারবার পাকিস্তানের সেনাশাসকদের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। এর মূল কারণ ছিল ভূ-কৌশলগত স্বার্থ—শীতল যুদ্ধকালীন সোভিয়েত নজরদারি থেকে শুরু করে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ পর্যন্ত। আজও একই ধারা অব্যাহত। ইমরান খানকে কারাগারে পাঠানোর পর পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তাই ট্রাম্প নির্বাচিত রাজনীতিবিদদের এড়িয়ে সরাসরি সেই ক্ষমতাশালী ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন, যিনি বাস্তবে দেশের নিয়ন্ত্রণে আছেন। হানিফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সব সময় পাকিস্তানের সেনাশাসকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থাকতে চায়, কারণ তারা এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং মার্কিন স্বার্থ পূরণে কার্যকর হয়। কিন্তু এই ঘনিষ্ঠতা পাকিস্তানের ভেতরে জনপ্রিয়তা আনে না। জনগণের চোখে সেনাবাহিনী ক্রমেই অজনপ্রিয় হয়ে পড়ছে, আর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ সম্পর্ক বারবার সংকট তৈরি করেছে—যেখানে পাকিস্তানের অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে এবং হাজারো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। অতীতের মতো এবারও প্রশ্ন থেকেই যায়—এ সম্পর্ক আসলে বন্ধুত্ব, প্রভুত্ব নাকি স্বার্থের হিসাব? পোস্ট ভিউ : ১২১ SHARES রাজনীতি বিষয়: