মঈন খান: স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২৫ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল দুটি—একদিকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অন্যদিকে দরিদ্র জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি। তবে বারবার রাজনৈতিক পথচলায় তার ব্যত্যয় ঘটেছে। শনিবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘তারেক রহমানের রাজনীতি: গণঅভ্যুত্থানের সাবলিমিটি’ বই প্রকাশনা উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে প্রথম ছন্দপতন ঘটে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে। যদিও আওয়ামী লীগ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি দাবি করে, কিন্তু সেই সময়ে তারা গণতন্ত্র বাদ দিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়। ড. মঈন খান প্রশ্ন তোলেন—আওয়ামী লীগের জন্ম যদি ক্যান্টনমেন্টে না হয়ে থাকে, তবে কেন স্বাধীনতার পর গণতন্ত্রকে উপেক্ষা করে একদলীয় ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছিল? তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কোনো প্রকার গোপন দরজা দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেননি, বরং সম্মুখ দরজা দিয়েই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। ছাত্রসমাজ ভবিষ্যতের নেতা, কিন্তু যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া দায়িত্ব নিলে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, কোটি কোটি মানুষ সরকারের কর্মকাণ্ডে হতাশ। যদিও দেরিতে হলেও নির্বাচনের সময় ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলাতে শুরু করেছে। তরুণ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছর নতুন প্রজন্ম তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এখন তারা ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। অল্প কিছু তরুণ ছাত্র যারা সরকারের অংশ হয়ে ভাবছে, তাদের চিন্তাভাবনা দেশের অধিকাংশ তরুণের সঙ্গে মেলে না। তরুণ সমাজের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে নেতৃত্ব দেওয়া কখনো সম্ভব নয়। সবশেষে তিনি আশ্বাস দেন, গণতন্ত্রের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতেই বিএনপি কাজ চালিয়ে যাবে। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আমীরুল ইসলাম। পোস্ট ভিউ : ১১২ SHARES রাজনীতি বিষয়: