শিল্প বিস্তারে পানির চাহিদা তুঙ্গে, অবকাঠামো বাস্তবায়নে ধীরগতি প্রকাশিত: ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২৫ ✅ প্রকল্পের নাম ও উদ্দেশ্য:মেঘনা নদী থেকে পানি এনে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (NS-EZ)-এ শিল্পকারখানাগুলোর জন্য সরবরাহ করা। সরকার–বেসরকারি অংশীদারিত্বে (PPP) এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। ✅ অগ্রগতির বর্তমান অবস্থা: ২০২২ সালের আগস্টে নীতিগত অনুমোদন পেলেও এখনো সম্ভাব্যতা যাচাই (Feasibility Study) শেষ হয়নি। পানির চাহিদা ও দাম ঠিক না হওয়ায় সমঝোতা স্মারক (MoU) হয়নি, নির্মাণও শুরু হয়নি। ডিসেম্বর পর্যন্ত আবারও সময় বাড়ানো হয়েছে। ✅ পানি–দাম নিয়ে জটিলতা: পরামর্শকরা প্রস্তাব করেছেন ১,০০০ লিটারের দাম ৯১ টাকা, অন্যান্য খরচ যোগ করলে দাঁড়াবে প্রায় ১২০ টাকা। বর্তমানে শিল্পগুলো নিজে পানি সংগ্রহ করছে, গড়ে ৩২ টাকায় প্রতি ১,০০০ লিটার পানি পাচ্ছে। তাই ১২০ টাকায় কিনতে অনীহা প্রকাশ করেছে। ✅ শিল্পাঞ্চলের চাহিদা: বর্তমানে ১৫টি কারখানা চালু, ২৭টির নির্মাণ চলছে। এখন দিনে ১০ লাখ লিটার পানি লাগে। ২০২৭–এ ৫ কোটি লিটার, ২০২৮–এ ৭ কোটি লিটার, ২০২৯–এ ১০ কোটি লিটার পর্যন্ত লাগবে। ✅ পরিকল্পনার ধাপ: প্রথম ধাপে দৈনিক ২৫ কোটি লিটার, দ্বিতীয় ধাপে আরও ২৫ কোটি লিটার পানি সরবরাহের লক্ষ্য। প্রথম ধাপ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে, শেষ ২০২৭–এ;দ্বিতীয় ধাপ ২০২৮–২০৩১। নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় সময়মতো শেষ হওয়ার আশঙ্কা কমছে। ✅ ব্যয় ও বিনিয়োগ: সরকারি ব্যয়: ১,৬০০ কোটি টাকা (জমি অধিগ্রহণ, নদী শাসন ইত্যাদি)। বেসরকারি ব্যয়: ৮,৯৫৩ কোটি টাকা (শোধনাগার, পাইপলাইন ইত্যাদি)। বেসরকারি অংশীদার: কোরিয়া ওভারসিজ ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (KIND) ঋণদাতা: কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংক। ✅ অন্য একটি পানি–প্রকল্প: বেজা আলাদা করে ৬৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল (২০১৯ সালে একনেকে অনুমোদিত)। ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬১ কোটি টাকা, কাজ শেষ হবে ২০২৫ সালের জুনে। তখন মুহুরী জলাধার থেকে আসবে দৈনিক ৫ কোটি লিটার পানি। ✅ ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি: ২০৩০ পর্যন্ত সংকট হবে না বলে আশা। এরপর নতুন কারখানা চালু হলে মেঘনা নদী–ভিত্তিক প্রকল্পটি অপরিহার্য হয়ে উঠবে। পোস্ট ভিউ : ১৮৪ SHARES অর্থনীতি বিষয়: